Have you ever wondered what helps us to remember past incidents, people, places etc.?

When we see, hear or read something; certain parameters are attached to each fragment of information and then stored in memory (brain). Later, these parameters help us to retrieve information from memory. We call this process as memorization. How long one can memorize some stored information depends on how well the person continues close association with parameters attached to the information.

Primary Memorization Parameters:

  • Time
  • Place
  • Subject
  • Characters
  • Incident
  • Emotion
  • Scene
  • Context
  • Environment
  • Surroundings

Secondary Memorization Parameters:

  • Similarity or Dissimilarity (Linking other incidents)
  • Seen or Unseen
  • Historical or Scientific or Geographical
  • Reality or Imagination

    Share Button
     দেবদূত

    দেবদূত তুমি নেমে এসো,
    ঘুচাও পৃথিবীর অন্ধকার।
    আর কতদিন থাকবে নীরব?
    শুনবে মানুষের হাহাকার।
    যুগ যুগ ধরে চলে আসা সভ্যতায়,
    হয়নি আজও ভালোবাসার স্থান।
    মানুষ মানুষে লড়ে,
    সততার গলা টিপে নেয় প্রাণ।

    Share Button

    Imagine how nice it would be if you could see the name of the places from where your friends and near ones are calling. At the least it will reduce a sentence of conversation – “where are you nowadays?” or “where are you at this moment?”
    The very important part of any conversation is to know each others state. Will it not be good if you immediately can see the status or know the emotion of your friend automatically when you are trying to ping or call?
    Another annoying but frequent thing is – we all do receive calls from unknown numbers. Imagine you are in an important meeting and getting a call from an unknown number. You will be unsure whether to take the call or send a text for follow up or skip the call. Disconnecting the call might not be the wise decision. What if that call was from very important person for some really important work?
    To summarize, following information can be made available to the called person when a call is received (and also can be exchanged between caller and callee):
    • Name of the person (as per registration with phone company)
    • Place from where caller is making the call
    • Current status of the caller
    Sharing above information with all the people always can be a privacy concern. So, the user should control what all information he/she wants to share with known people, contacted people and strangers.

    Share Button
    I really did not have any experience about how one feels after becoming jobless. But, yes I can feel it now; I am jobless at this moment. Today for the first time in last 6.5 years I did not have Monday-laziness. Perhaps, a week long holiday is a good idea, but I have some important work at hand. Also, before I join the new company next week, I want to take rest to get prepared mentally and physically.

    Hope things will move along smoothly when I enter the second phase of my professional career.
    Share Button

     সাথী

    আমার হৃদয় দিলাম সঁপে,
    অজানা ওই দূরের সাথীর তরে।
    দেখিনি কভু,
    জানিনা সে কেমন পাগল মেয়ে।
    ইচ্ছে করে ছুঁতে,
    আপন করে নিতে।
    বাসব ভালো প্রাণ খুলে,
    যেদিন দেখবো তাকে দু-চোখ ভরে।

    Share Button

    ঢেউ

    তুমি আসবে তো?
    যদি প্রাণভরে ডাকি।
    তোমার হৃদয় কী উঠবে কেঁপে?
    যদি বাজাই আমার প্রাণের বাঁশি।
    তুমিও কী বাসবে ভালো আমায়?
    যদি বলি, তোমায় আমি ভালোবাসি।

    তুমি ভাসবে তো?
    যদি মেঘের মতো ডানা মেলে ভাসি।
    তোমার হৃদয় কী ব্যাকুল হবে?
    যদি আর ফিরে না আসি।
    তুমিও কী বাসবে ভালো আমায়?
    যদি বলি, তোমায় আমি ভালোবাসি।

    তুমি দেখবে তো?
    যদি তোমার পানে চেয়ে থাকি।
    তোমার চোখ কী দেবে সায়?
    যদি তোমার জন্যে ঘর বাঁধি।
    তুমিও কী বাসবে ভালো আমায়?
    যদি বলি, তোমায় আমি ভালোবাসি।

    Share Button

    স্বপ্ন

    স্বপ্ন স্বপ্ন এই মন৷
    আরেকটা স্বপ্ন নিয়ে,
    তোমার আমার জীবন৷
    স্বপ্ন দিয়েই স্বপ্ন গড়া৷
    ওই মেঘেদের মতো,
    চলো হয়ে যাই বাঁধনহারা৷
    এসো বুনি স্বপ্নের মায়াজাল৷
    এই ধূসর পৃথিবীটা,
    স্বপ্নে শুধুই নীল, সবুজ আর লাল৷

    চাঁদের মায়াবি আলোয়-
    স্বপ্নেরা জন্ম নেয়,
    হেরে যাওয়া মনটা আবার জিততে চায়৷
    রাশি রাশি স্বপ্নের স্তূপ৷
    নিজেকেই প্রশ্ন করি,
    কবে পাবে আমার স্বপ্নেরা বাস্তব রূপ?
    ঘড়ির কাঁটায় সময় চলে যায়৷
    রাতের স্বপ্নে আমি দৌঁড়তে পারি না,
    স্বপ্নের চোরাবালি জীবন গিলে খায়৷

    একটা সত্যির স্বপ্ন দিও আমায়৷
    নিজেকে বদলে নেওয়ার,
    স্বপ্নের জীবন শুধুই বাঁচতে চায়৷
    স্বপ্নে পাখা মেলেছে আবার এই মন৷
    আরেকটা স্বপ্ন নিয়ে,
    তোমার আমার জীবন৷

    Share Button

    মুক্তি

    আমাকে মুক্তি দাও
    আমার মনে আজ আগুন জ্বলেছে৷
    ওই পাখিদের মতো ডানা মেলে
    আমাকে আজ ভাসতে দাও৷
    আকাশের সীমানার ওপারে
    হয়তো বা সমুদ্রের গভীরে-
    আমাকে আজ হারিয়ে যেতে দাও৷

    ভীষন উত্তাপে জ্বলছে শরীর, মন
    বৃষ্টির জলে আমাকে ভিজতে দাও৷
    অনেক প্রশ্ন জমে আছে
    উত্তরের খোঁজে বৃথাই অপেক্ষা!
    এ-ভাবেই ফুরিয়ে যাবে জীবন
    আশার মেঘ কখনো বৃষ্টি হবে না৷

    এই স্বার্থপরতার পৃথিবীর সাজানো রঙ্গমঞ্চে
    মিথ্যের অভিনয় আমি করবো না৷
    সবাই জানে অঙ্কের এ সহজ ভুল
    তবু গড়মিল দিয়ে চলছে দুনিয়া৷
    আমার জীবনের সাথে
    আমার পৃথিবী শেষ হয়ে যাবে৷
    শেষবার তোমাদের চিৎকার করে বলছি
    আমাকে মুক্তি দাও-
    গ্রহ থেকে গ্রহে খুঁজবো আমার সুন্দর পৃথিবী৷

    Share Button

    স্বাধীন

    চোখে ঘুম নেই,
    নেই ক্লান্তি, অবসর৷
    এধার হতে ওধার,
    আপন মনে চলছে দুলে দুলে৷
    নেই সময়ের তাড়া৷
    জন্ম, মৃত্যু জলে,
    জলেই কাটে কৈশোর, যৌবন৷

    কোনো নাম নেই,
    বাবা-মা আছে৷
    ঠিকানা নেই,
    আশ্রয় আছে৷
    সময় নেই,
    সকাল, দুপুর, রাত আছে৷
    ঠান্ডা-গরমের অনুভূতি আছে৷
    বিদ্যুত চমকানোর ভয় আছে৷
    আর আছে অজস্র স্বাধীনতা৷

    মুখে কথা নেই,
    চোখে চোখে বুঝে নেয়,
    একে অপরের অনুভূতি৷
    লজ্জা নিবারণের বস্ত্র নেই,
    নেই কোনো সাজগোজ,
    তবু অপূর্ব সুন্দর৷
    ওদেরকে ওদের মতো বাঁচতে দাও,
    তোমরা দয়া করে ওদের কৃত্রিম বানিও না৷

    Share Button

    এসেছে শরতকাল

    এসেছে শরতকাল
    বাঙ্গালী মেতেছে আবার পুজোর জোয়ারে।
    দেবী দুর্গা এবার দোলায় চেপে মর্ত্যে আসছেন
    সাথে তাঁর গোটা পরিবার।

    ঢাক ঢোল শঙ্খ আর উলুর ধ্বনিতে
    দেবীকে স্বাগত জানাচ্ছে সবাই।
    জাত-পাত ভেদ ভুলে
    মানুষের এ এক অপূর্ব মহামিলন।

    তবে, একটু গভীরে গেলে মনে হয় সবই সাজানো
    কৃত্রিম এ আনন্দের ঢেউ।
    লক্ষ লক্ষ মানুষ আজ হিংসায় জ্বলে পুড়ছে
    রক্তের বন্যা বইছে বাংলায়।

    তবে, এ কিসের আনন্দ?
    কিসের এ জয়গান?
    কেনই বা মিথ্যে খুশির হাওয়া?
    হয়তো বা দেবীপক্ষে যুদ্ধ বিরতি!

    তোমরা বাজিও না বাদ্য আর
    চেঁচিও না আর জোরে।

    বাঙ্গালী ভাই বোনেরা
    ঐক্যবদ্ধ হও।
    ভুলে যাও ধর্ম-বর্ন-রাজনীতির ভেদাভেদ
    গড়ে তোলো মনুষ্যত্বের মেলবন্ধন।

    চারিদিকে যবে বইবে খুশির হাওয়া
    দেবীকে বরণ কোরো তখন।
    খুশি হয়ে দশ হাত তুলে
    তোমাদের আশীর্বাদ করবেন মা দুর্গা।

    Share Button